চাকুলিয়া নিউজডেস্ক: ভারতীয় বাইক বাজার বা টু হুইলার বাহনের জগতে হোন্ডা একটি বিশ্বস্ত নাম। এবার এই পুঁজিকে কেন্দ্র করেই বাজারের এই স্বনামধন্য টু হুইলার প্রস্তুতকারক সংস্থাটি নিয়ে এলো সেরা মাইলেজ এবং পারফরম্যান্স সম্পন্ন নতুন টু হুইলার যার নাম Honda Dio 110। বিশেষ করে Gen Z প্রজন্মের কাছে বাজারে স্টাইলিশ (Honda Dio 110 Mileage) এবং দারুন পারফরম্যান্স যুক্ত সাশ্রয়ী স্কুটারের কদর অনেক। এবার সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখে বাজারে চলে এলো হোন্ডা কোম্পানির নতুন স্কুটি Honda Dio 110 ।
প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে যে তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে কলেজ পড়ুয়া এছাড়া দৈনন্দিন যাতায়াতের ক্ষেত্রেও এই স্কুটার সেরা পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিতে পারে।। কেননা এর মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য। যেমন হালকা ওজন, দারুন performance সম্পন্ন নির্ভরযোগ্য ইঞ্জিন, নিখুঁত হ্যান্ডেলিং ডিজাইন যার দ্বারা ব্যস্ত ট্রাফিকেও সুন্দরভাবে একে পরিচালনা করা যায়।
যে সমস্ত মানুষ বর্তমান বাজারে দাঁড়িয়ে একটি বাজেট মূল্যে সেরা স্কুটার কিনতে চান এবং যার দাম হবে এক লাখ টাকার নিচে তাদের জন্য এই স্কুটারটি একটি দারুণ টু হুইলার অপশন হতেই পারে।

Honda Dio 110 Price and Varients
Honda যেহেতু একটি অভিজ্ঞ টু হুইলার প্রস্তুতকারী সংস্থা তাই তারা বাজারের যারা অভিজ্ঞ ক্রেতা রয়েছেন তাদের অভিজ্ঞতাকে ভালোভাবেই চেনেন। আর এই অভিজ্ঞতাকে কেন্দ্র করেই তারা ক্রেতাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে মূলত দুটি ভেরিয়েন্টে এই স্কুটারকে বাজারে নিয়ে এসেছেন। এর মধ্যে একটি হলো স্টান্ডার্ড বা STD এবং অপরটি হল ডিলাক্স বা DLX ।
দিল্লির এক্স শোরুমের দাম অনুযায়ী এর এন্টি লেভেল অর্থাৎ এস টি ডি এর দাম শুরু হয়েছে ৭০ হাজার ৩০৯ টাকা থেকে। অন্যদিকে ডিলাক্স ভেরিয়েন্টের দাম রাখা হয়েছে ৮২ হাজার ৩৬২ টাকা। যা সাধারন মধ্যবিত্তদের বাজেটের মধ্যেই পড়ে।
উল্লেখ করা যেতে পারে যে স্কুটার আরোহীদের আরাম এবং আধুনিক প্রযুক্তির অনন্য অভিজ্ঞতার সাক্ষী করতে ডিএলএক্স বা ডিলাক্স ভেরিয়েন্ট টিকে তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি যেমন স্মার্ট কি টেকনোলজি সহ রিয়েল টাইম কানেক্টিভিটি এবং আকর্ষণীয় বডি গ্রাফিক্স এর মত প্রিমিয়াম সুবিধাগুলি।
Honda Dio 110 Performance and Mileage:
যদি পারফরমেন্সের কথা আলোচনা করতে হয় তাহলে বলা যায় এই স্কুটারে ব্যবহার করা হয়েছে ১০৯.৫১ সিসি এর সিঙ্গেল সিলিন্ডার এবং এয়ার কুল্ড ইঞ্জিন। নতুন ও বি ডি ২ এর নিয়ম মেনে এই ইঞ্জিনটি পরিবেশবান্ধব ই-টোয়েন্টি পেট্রলেও সমানভাবে চলতে পারে। এছাড়া সর্বোচ্চ ৭.৮ হর্সপাওয়ার এবং ৯.০৩ টর্ক উৎপাদন করতে পারে। এছাড়া কোম্পানির নিজস্ব ইনহান্স স্মার্ট পাওয়ার টেকনোলজি সহ ই এস পি প্রযুক্তির কারণে জ্বালানি তেলের অপচয় অনেকটাই কমে যায়। একই সাথে এর মধ্যে রয়েছে সাইলেন্ট স্টার্টার এবং ট্রাফিকে পড়লে তেল বাঁচানোর জন্য অটোমেটিক স্টার্ট ও স্টপ সিস্টেম এর সুবিধা। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে যে এই কৌটার ইতিমধ্যে অন্যতম জ্বালানির সাশ্রয়কারী স্কুটার হিসেবে নিজের নাম তৈরি করে করে নিয়েছে। মাইলেজের কথা বলতে গেলে বলা যায় যে এই স্কুটার প্রতি লিটারে ৫০ কিমি মাইলেজ দিতে পারে। যা সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে পকেট ফ্রেন্ডলি।
Honda Dio 110 Features
Honda Dio 110 স্কুটারে আরোহীর নিরাপত্তার জন্য সাইড স্ট্যান্ড ইঞ্জিন কাট অফ ফিচার যোগ করা হয়েছে অর্থাৎ স্ট্যান্ড পড়ে থাকলে ইঞ্জিন চালু হতে দেয় না। একই সাথে সিট না তুলেই সহজে তেল ভরে নেওয়া যায়। ভেরিয়েন্ট অনুসারে রিয়েল টাইম ইন্ডিকেটর সহ পুরো ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট কনসোল রয়েছে। এর সাথে রয়েছে স্মার্ট কি সিস্টেম। ডিআরএল মোবাইল চার্জ এর ব্যবস্থা যেমন রয়েছে ঠিক তেমনি যাতায়াতের জন্য সামনে টেলিস্কোপিক সাসপেনশন এবং পেছনে থ্রি স্টেপ এডজাস্টেবল ইউনিট সুইং দেওয়া হয়েছে। এর ফলে আচমকা ব্রেক কষলে গাড়ি পিছলে পড়বে না এবং এজন্য দু চাকাতেই দেওয়া হয়েছে কম্বি ব্রেক সিস্টেম বা সি বি এস।